আউটসোর্সিং কি;outsourcing work in bangladesh

বাংলাদেশে-থেকে-ফ্রিল্যান্সিং করে আয় monthly ৩০০০০থেকে ৫০০০০ টাকা ।

আমার কথা:
“আমার জীবন পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়েছে। এখন আমি ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন করছি এবং আমি অনেক নতুন জিনিস জানতে পেরেছি। ইন্টারনেট সত্যিই আশ্চর্যজনক!!!”

“আমি একটি সম্পূর্ণ সময় স্বাধীন ফ্রিল্যান্সার এবং আমার 100% উপার্জন অনলাইন থেকে আসে। তাই স্পষ্টভাবে ইন্টারনেট আমার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস “

বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশ। ধারণা হিসাবে,  outsourcing work in Bangladesh নতুন নয়। বরং বর্তমান সময়ে, আউটসোর্সিং প্রবণতা বাংলাদেশকে এত জনপ্রিয়তা ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই পেশায় আসছে। আউটসোর্সিং এরিয়া সারা বিশ্বে কাজ করে কোন সন্দেহ নেই। ভবিষ্যতে, বাংলাদেশী জনগণ বেকারত্বের প্রতিকার পাবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি বিদ্রোহও করতে পারবে। শুধু তা্ নয় বর্তমানে অধ্যয়নরত অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রতি মাস ৩০০০০থেকে ৬০০০০ টাকা আয় করছে।বর্তমান সময়ে আউটসোর্সিং অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই টাকা উপার্যন করতে পারবেন। বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।দেশের যুবসমাজ ফ্রিল্যান্সিং এ বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মত আমাদের দেশেও ফ্রিল্যান্সিং প্রচুর পরিমাণে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দেশের বেকার যুবসমাজ ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে এখন অনেক বেশি ঝুঁকছে। আমাদের দেশের মত ছোট দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধা কম থাকায় দেশের তরুণ সমাজ ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে নজর দিচ্ছে।
ঘরে বসে অর্থ উপার্যন করা যায় বলে দেশের তরুণ সমাজ বিশেষ করে দেশের বেকার যুবকরা এই ফ্রিল্যান্সিং কাজে বেশি মনোযোগী হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ফ্রিল্যান্সিং বাজার অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে যে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে তা সত্যিকার অর্থেই প্রশংসার দাবি রাখে। দেশে কর্মসংস্থানের অবস্থা যখন খুবই নগন্য তখন ফ্রিল্যান্সিং বাজার দেশের বেকার যুবসমাজকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করছে এবং শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করে অনেকেই এখন বড়লোক হওয়ার ও স্বপ্ন দেখে।
আউটসোর্সিং কি?

আউটসোর্সিং শব্দটি 21 শতকের প্রথম দিকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল আমেরিকায়। মূলত Outsourcing হল একটি চুক্তিমূলক ভিত্তিতে কাজ ‍সম্পাদন করা ‍এবং এর বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসাবে ডলার আয় করা্ অথবা এরকম বলা যায় আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং বলতে ইন্টারনেটে কাজ করে ঘরে বসে অর্থ উপার্যনকে বুঝায়। এখানে এক দল মানুষ কাজ বিক্রি করে যাদের কে বায়ার বলা হয় এবং অন্যদল মানুষ সেই সব কাজ ঠিকঠাক সম্পন্ন ভাবে করে বায়ারের কাছে হস্তান্তর করে তাদের কাছ থেকে অর্থ উপার্যন করে। যারা এভাবে অর্থ উপার্যন করে তাদের কে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে “ফ্রিল্যান্স” শব্দটি কিছু প্রচারণা অর্জন করেছে। তবে, এমন অনেক লোক নেই যারা স্পষ্টভাবে বলতে পারেন যে কোন ধরণের ফ্রিল্যান্স হয়।ফ্রিল্যান্সার এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনও সংস্থার, সংস্থান, ইত্যাদির সাথে যুক্ত না হন তবে কাজ অনুসারে স্বাধীনভাবে চুক্তি করেন। লেখক, ফটোগ্রাফার, ডিজাইনার, প্রোগ্রামার ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই এটি প্রায়ই স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে এমন ব্যক্তিদের বোঝায় এবং তারা বলে যে তারা তাদের নিজস্ব প্রতিভা দিয়ে কাজ করছে।

বাংলাদেশ থেকে কি কি কাজ পাওয়া যায়?
বাংলাদেশে যে সব অনলাইন কাজ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সহজলভ্য সেগুলোর মধ্যে রয়েছে Data Entry, Graphics Design, Software Design and Development, Web Designing, Multimedia, Search Engine Optimization (SEO), Social Media Marketing (SMM) Digital Marketing, Email Marketingt, WordPress Development, Affiliate Marketing, Android App Development, YouTube Marketing, Google AdSense, Data Entry Solid Works and more ইত্যাদি। এই কাজগুলো আমাদের দেশের তরুনরা অনেক পছন্দ করে এবং এই সব কাজগুলোতে আমাদের দেশের তরুণরা অনেক পারদর্শী।আমরা এর প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
কোথায় শিখব?

আপনি চাইলে youtube এর ভিডিও দেখে শিখতে এবং জানতে পারেন , এবং google এর ব্লগ পরেও জানতে এবং শিখতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশের ট্রেনিং সেন্টার গুলো আগের চাইতে অনেক ভাল প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।শুধু তা নয় বর্তমানে প্রত্যেকটা বিভাগীয় শহরে আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে যেখান থেকে আপনি শিখতে পারেন। ঢাকা ,চট্রগ্রাম সবচেয়ে বেশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে । তবে বিশেষ করে ঢাকায় সেসব প্রশিক্ষণ এছাড়াও যারা এসব কাজ পারে না তাদেরকে এইসব কাজ শিখানোর জন্যও অনেক প্রতিষ্ঠান সেন্টারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে অনেক বেশি ।তবে বর্তামানে চট্রগ্রাম অনেক আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে ।এছাড়াও দেশের বর্তমান যুবকসমাজ অন্যান্য দেশের চেয়ে প্রযুক্তি সেক্টরে অনেক বেশি এগিয়ে। তাদের অসাধারণ মেধা আছে। কিন্তু উপযুক্ত সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় তারা তা কাজে লাগাতে পারছে না। তাই সরকার অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টায় আছে।
আউটসোর্সিংয়ে বর্তামান বাংলাদেশের অবস্থা:outsourcing work in bangladesh
সারাবিশ্বের ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের দিক থেকে এখনো সপ্তম অবস্থানে outsourcing work in Bangladesh।তবে এই আয়ের অগ্রগতির দিক বিবেচনায় ‍তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে দেশ।
২০১৭ সালে ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের হিসাবে শীর্ষ ১০ দেশের অগ্রগতির এক তালিকা প্রকাশ করেছে ফ্রিল্যান্সারদের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক। এতে বাংলাদেশের ওই অবস্থান দেখানো হয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী, ভারতের অগ্রগতি এখনো সবার উপরে। এর পরে আছে যুক্তরাষ্ট্র , বাংলাদেশ ও রাশিয়া। এছাড়াও অগ্রগতিতে বাংলাদেশের পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য, রোমানিয়া, , ইউক্রেন, পাকিস্তান ও কানাডা।

২০১৪ সালে ফ্রিল্যান্সাররা মোট আয় করেছে ৯৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এখানে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় হলো ২৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের মোট আয় ছিল ৭২ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত বছর থেকে এই আয় খুব দ্রুত বাড়ছে বলে জানান আপওয়ার্কের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান।
তার দেওয়া তথ্য মতে, ২০১৪ সালে মার্কেটপ্লেসটিতে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় ৯৭ লাখ। এর মধ্যে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে চার লাখ ৭৮ হাজার।
তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সিং আয়ে বাংলাদেশ এখনো সপ্তম স্থানে। কিন্তু খুব শিগগরই এই অবস্থানের আরও উন্নতি হবে। তরুণরা আরও বেশি করে এই খাতে কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছে। সঠিকভাবে তাদের পথ দেখাতে পারলেই দেশ শীর্ষস্থান ধরে ফেলবে।
২০১৪ সালে কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে অ্যাডমিন সাপোর্ট ও ডিজাইনে ৪.৮০৬ মিলিয়ন করে, প্রযুক্তিতে ৯.৮৭৯ মিলিয়ন, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ে ৫.৮৭৪ মিলিয়ন, লেখা ও অনুবাদে ০.৮০২ মিলিয়ন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড লিগ্যালে ০.৫৩৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা।
দেশে ইতোমধ্যেই ফ্রিল্যান্সার তৈরি ও উন্নয়নে কাজ করছে আপওয়ার্ক এবং সরকারের আইসিটি বিভাগ। ২০১৯ সাল নাগাদ ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় এক বিলিয়ন ডলারের উপর উন্নীত করতে সরকার ও আইসিটি বিভাগ দেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে ফ্রিল্যান্সার তৈরির কাজ করছে।
ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং জগতে বাংলাদেশ অন্যান্য উন্নয়ন্নশীল দেশের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে। যা আগামী দিনের সম্ভাবনার অনেক দ্বার উন্মোচন করবে। তবে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এমন অবস্থান যে বিশ্ব দরবারে অনেক বেশি প্রশংসা কুড়াবে তা আর খুব দূরে নয়।
মেয়েদের জন্য আউটসোর্সিং:
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেশের মেয়েরাও এখন ফ্রিল্যান্সিং এ যোগ দিচ্ছে। যেহেতু ঘরে বসেই অর্থ উপার্যন করা যায় তাই মেয়েরা এর প্রতি বেশি পরিমাণে ঝুঁকছে। ছেলে মেয়েদের যেখানে সমান অধিকার সেখানে মেয়েরা কেন অর্থ উপার্যনে ছেলেদের থেকে পিছিয়ে থাকবে? তবে মেয়েদের ফ্রিল্যান্সিং এ ঝোঁকার পিছনে বেশ কিছু কারণও আছে। যেমন দেশে মেয়েদের জন্য প্রতিকূল কর্মসংস্থানের পরিবেশ, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা, বাইরের পরিবেশে কাজ করার জন্য পরিবারের অসহযোগীতা ইত্যাদি নানা ধরণের কারণে মেয়েরা ফ্রিল্যান্সিং কে অর্থ উপার্যনের পথ হিসেবে বেঁছে নিয়েছে। বাংলাদেশে আউটসোর্সিং করার কিছু সুবিধাদি রয়েছে যার কারণে দেশের মেয়েরা ফ্রিল্যান্সিং এ আকৃষ্ট হয়েছে। প্রথম সুবিধা বাসায় বা ঘরে বসেই কাজ করা যায়। কতক্ষণ কি ধরণের কাজ করবে তা নির্ধারণ করার স্বাধীনতা আছে।
সুবিধা:
(১) ঘরে বসে বা যেকোনো স্থান থেকে কাজ করা যায়।
(২) স্বাধীনভাবে নিজের ইচ্ছামত কাজ পছন্দ করা যায়।
(৩)কোনো লিঙ্গ বৈষম্য নেই
(৪)কাজের বৈচিত্র্য।
(৫) শিক্ষার সুযোগ
(৬)প্রযুক্তির দক্ষতা গড়ে তোলার জন্য সুযোগ
(৭)ভাল উৎস থেকে বিশাল আয়।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের বিভিন্ন সাইট:
অনলাইনে কাজ পাওয়ার জন্য কিছু সাইট আছে (ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার) যেগুলির প্রচার এবং পরিচিতি এত বেশি যে অনেকে মনে করেন কাজের জন্য এইসাইটগুলিই ব্যবহার করতে হবে। আসলে এই সাইটগুলি অত্যন্ত বড়, কাজ বেশি এসব যেমন সত্য তেমনি সেখানে প্রতিযোগিতা বেশি, কাজ পাওয়া কঠিন এটাও সত্য। সবচেয়ে বড় সাইট হলেও এগুলো বেশি উপকারে আসবে একথা ঠিক না। অনেক সময় কাজের ধরন অনুযায়ী ছোট সাইট বেশি প্রিয় হতে পারে। বিশেষ করে যারা নতুন শুরু করছেন তারা খুব সহজ, ছোট কাজ পেতে পারেন।
(1) Upwork
(2) Freelancer
(3) Guru
(4) Elance
(5) Fiverr
(6) Linkdin
(7) 99Designs
(8) Toptal
(9) Hubstal
(10) Broxer
(11) Evanto studio
(12) Dice
(13) Mediabristo
(14) People per hour
(15) Tutor.com

কত টাকা আয় করা যায়?
আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতাবাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না,বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৩০থেকে ৪০ ডলারে কাজ করতে পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।